গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, এই মেলা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও স্থানীয় সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। তিনি এ ধরনের আয়োজনকে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টায় সিন্দুরমতি মেলা উদযাপন কমিটির আয়োজনে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সিন্দুরমতি মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম মমিনুল হকসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক কমিটির তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায় প্রায় পাঁচ থেকে সাত লাখ মানুষের উপস্থিতি হওয়ার আশা করা হচ্ছে। ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারীসহ আশপাশের জেলা থেকে মানুষজন মেলায় আসতে শুরু করেন। এছাড়া সীমান্তের ওপার থেকেও বহু পুণ্যার্থী অংশ নেন।
মেলায় আগত ভক্তরা ভোরের আলো ফুটতেই সিন্দুরমতির দিঘীর পবিত্র জলে স্নান করে পুণ্য অর্জনের আশায় ভিড় জমান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দিঘীর চারপাশে বসেছে শত শত দোকান, যেখানে পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরনের পণ্য সামগ্রী ও স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী জিনিসপত্র।
মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, চৈত্র সংক্রান্তি ও রাম নবমী উপলক্ষে আয়োজিত একদিনব্যাপী এই মেলায় লাখো মানুষের সমাগম ঘটেছে।